ছন্দে ছন্দে সব কিছু বাঁধা
ছন্দে জগত্ গড়া
ছন্দে ছন্দে বাজছে হৃদয়
ছন্দে ঘুরছে ধরা।
ছন্দ দিয়েছে সন্ধ্যা বাতাস
জোলো ঘাসেদের ডগে
ছন্দেপাখিরা কাকলি ছড়ায়
দিবসের অনুরাগে।
ছন্দে চলেছে সাইন-বক্র,
কস্-বক্রেরা সব
ছন্দে করছে ঘড়ির কাঁটারা
সময়ের অনুভব।
ব্রহ্মাণ্ডের শুরু থেকে শেষে
ছন্দ র'য়েছে শুধু
ছন্দ হারালে সকল-ই হারাবে
ফুলে থাকবেনা মধু।
-বিল্বতোষ মুখোপাধ্যায়
'পক্ষপুট';বর্ধমান-713101
দিনাঙ্ক-8.7.2007[6:19pm]
[*আমার লেখা এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'কবিতা উত্সব উদযাপন কমিটি ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল' কর্তৃক প্রকাশিত "শুঁয়োপোকা থেকে প্রজাপতি" নামক কবিতা সংকলন গ্রন্থের ষষ্ঠ(6th) খণ্ডে।
*এই কবিতাটি আমি 'কবিতা উত্সব(২০০৮)বর্ধমান'-এ 'জীবনানন্দ মঞ্চে' ৩রা ফেব্রুয়ারি,২০০৮ এ পাঠ করেছিলাম]
Friday, May 15, 2009
Thursday, May 7, 2009
:নিষ্পাপ সারল্য:
গান গেয়ে গেয়ে ফিরেছিল যত সারল্য নিষ্পাপ
হারিয়ে যাচ্ছে তারা যে কোথায়-নেই তাপ উত্তাপ।
কিছু কিছু তারা চোখের সামনে এখনও বেড়ায় ঘুরে,
সুজয়ের গান এখনও গায় তারা জীবনের সুরে।
বড় চেনা লাগে জীবনের ঐ সুর খানি-মধুমাখা,
জীবনের শুভ জন্মলগ্নে যার উত্সটি ঢাকা।
ত্রস্ত চোখেতে সতর্ক তারা সবাক বোধকে নিয়ে-
উদ্যত যত শ্বাপদ সবুজ হিংস্র চোখেতে চেয়ে;
লেহন করছে নিজ ঠোঁট গুলি শাপদের দল যারা
লুব্ধ প্রয়াসে মাটি আঁচড়ায়,চাপা গর্জনে ভরা।
জীবনের গান তবুও থামেনা প্রাবল্য দুর্দম-
কেউ পারবেনা থামাতে এ গান-হোক যতো নির্মম।
অমৃত হ'য়ে রয়ে যাবে যত সারল্য,নিষ্পাপ
একটা হারাবে-আসবে অনেক,নেই কোনো সন্তাপ।
-বিল্বতোষ মুখোপাধ্যায়
'পক্ষপুট';বর্ধমান-713101
19.4.2007&20.4.2007[12:42am]
[আমার লেখা এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় "বর্ধমানের খবর,ঈদ উত্সব সংখ্যা,২০০৭"পত্রিকায়।]
*পত্রিকায় প্রকাশের সময় পংক্তি সংখ্যা ৪,৬,৮ তে মুদ্রণ প্রমাদ ছিল।
হারিয়ে যাচ্ছে তারা যে কোথায়-নেই তাপ উত্তাপ।
কিছু কিছু তারা চোখের সামনে এখনও বেড়ায় ঘুরে,
সুজয়ের গান এখনও গায় তারা জীবনের সুরে।
বড় চেনা লাগে জীবনের ঐ সুর খানি-মধুমাখা,
জীবনের শুভ জন্মলগ্নে যার উত্সটি ঢাকা।
ত্রস্ত চোখেতে সতর্ক তারা সবাক বোধকে নিয়ে-
উদ্যত যত শ্বাপদ সবুজ হিংস্র চোখেতে চেয়ে;
লেহন করছে নিজ ঠোঁট গুলি শাপদের দল যারা
লুব্ধ প্রয়াসে মাটি আঁচড়ায়,চাপা গর্জনে ভরা।
জীবনের গান তবুও থামেনা প্রাবল্য দুর্দম-
কেউ পারবেনা থামাতে এ গান-হোক যতো নির্মম।
অমৃত হ'য়ে রয়ে যাবে যত সারল্য,নিষ্পাপ
একটা হারাবে-আসবে অনেক,নেই কোনো সন্তাপ।
-বিল্বতোষ মুখোপাধ্যায়
'পক্ষপুট';বর্ধমান-713101
19.4.2007&20.4.2007[12:42am]
[আমার লেখা এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় "বর্ধমানের খবর,ঈদ উত্সব সংখ্যা,২০০৭"পত্রিকায়।]
*পত্রিকায় প্রকাশের সময় পংক্তি সংখ্যা ৪,৬,৮ তে মুদ্রণ প্রমাদ ছিল।
Monday, May 4, 2009
:অনুভব:
কল্পনার ঐ অতল তলে
আকাশ নীলের মাঝে
লক্ষ শিশুর মন ভেসে যায়
সকাল-দুপুর-সাঁঝে।
কাজ মানে তার অকাজ মাঝে
পায় সে মনের স্ফুর্তি
দিক ভোলানো রোদের মাঝে,
সে মন ভোলানোর মূর্তি।
অভ্রলেহী স্বপ্ন নিয়ে
চেয়ে দেখে নভঃলোক
চেয়ে দেখে রূপ,কত অপরূপ
বিস্ময়াতুর চোখ।
হরিত্ মনের বিস্তার মাঝে
নীল আকাশের ডাক-
ডাকে ঐ সাদা,ছোট-বড়,লাল
দূরে মেঘেদের ঝাঁক।
ঐ ডাকে সাড়া দিতে আজ মন
যায় ছুটে ঐ দূরে,
রূপের আলোকে ঝলসিত
কার ঐ অন্তঃপুরে।
-বিল্বতোষ মুখোপাধ্যায়
'পক্ষপুট';বর্ধমান-713101
দিনাঙ্ক-(ইং)25.11.2003/18.1.2004/24.1.2004
[আমার লেখা এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় "শুঁয়োপোকা থেকে প্রজাপতি" নামক গ্রন্থের পঞ্চম খণ্ডে।]
আকাশ নীলের মাঝে
লক্ষ শিশুর মন ভেসে যায়
সকাল-দুপুর-সাঁঝে।
কাজ মানে তার অকাজ মাঝে
পায় সে মনের স্ফুর্তি
দিক ভোলানো রোদের মাঝে,
সে মন ভোলানোর মূর্তি।
অভ্রলেহী স্বপ্ন নিয়ে
চেয়ে দেখে নভঃলোক
চেয়ে দেখে রূপ,কত অপরূপ
বিস্ময়াতুর চোখ।
হরিত্ মনের বিস্তার মাঝে
নীল আকাশের ডাক-
ডাকে ঐ সাদা,ছোট-বড়,লাল
দূরে মেঘেদের ঝাঁক।
ঐ ডাকে সাড়া দিতে আজ মন
যায় ছুটে ঐ দূরে,
রূপের আলোকে ঝলসিত
কার ঐ অন্তঃপুরে।
-বিল্বতোষ মুখোপাধ্যায়
'পক্ষপুট';বর্ধমান-713101
দিনাঙ্ক-(ইং)25.11.2003/18.1.2004/24.1.2004
[আমার লেখা এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় "শুঁয়োপোকা থেকে প্রজাপতি" নামক গ্রন্থের পঞ্চম খণ্ডে।]
Subscribe to:
Posts (Atom)